তিনি সতর্ক করে জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ঠেকাতে যুদ্ধের দ্রুত প্রশমনই এখন সবচেয়ে বড় সুরক্ষা। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সোমবার বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা একপর্যায়ে ১১৯ ডলার ৫০ সেন্টে পৌঁছায়। তবে ফ্লোরিডায় এক বক্তৃতায় ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার ইঙ্গিত দেয়ায় দিনশেষে তেলের দাম কমে ৯০ ডলারের নিচে নেমে আসে। তা সত্ত্বেও দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
চ্যান্সেলর রেচেল রিভস বর্তমানে কোনো নতুন ত্রাণসহায়তার প্রতিশ্রুতি দেননি।
এছাড়া আগামী সেপ্টেম্বরে জ্বালানি শুল্ক ৫ পেনি বাড়ানোর পরিকল্পনা থেকেও সরে আসেননি। তবে তিনি জানান, যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে কেউ যেন অযৌক্তিকভাবে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারে, সেজন্য পেট্রল পাম্পে বিক্রি হওয়া জ্বালানি ও হিটিং অয়েলের দামের ওপর কড়াভাবে নজরদারি করার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী স্টারমার ও চ্যান্সেলর দুজনই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে জ্বালানির দামের সীমা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেলে সরকার হস্তক্ষেপ করতে প্রস্তুত। বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টি জ্বালানি শুল্কবৃদ্ধির প্রতিবাদে গতকাল হাউজ অব কমন্সে ভোটাভুটির পরিকল্পনাও করছে।
এদিকে ইরানজুড়ে সোমবার নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী। ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সমর্থনে তেহরানের রাস্তায় সাধারণ মানুষের জমায়েত দেখা গেছে। ব্রিটিশ সরকার মনে করছে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রতিটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই পরিস্থিতি মোকাবেলায় তারা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে।